ঝালকাঠি প্রতিবেদক:
ঝালকাঠি ও নলছিটির সাবেক এমপি আমির হোসেন আমুর ব্যক্তিগত পিএস ফখরুল মজিদ কিরণ ও আওয়ামী লীগ নেতাদেও বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে বাদী এখন হুমকির মুখে।এঘটনায় নলছিটি উপজেলার কুলকাঠি ইউনিয়ন বিএনপি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মায়েল আহম্মেদ সংবাদ সম্মেলন করেছে। আজ রবিবার বেলা সাড়ে ১১ টায় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তাব্য পাঠ করেন, মো. মায়েল আহম্মেদ।
লিখিত বক্তব্যে মো. মায়েল আহম্মেদ অভিযোগ করেন, গত ১৬ বছর আওয়ামী লীগ সকার ক্ষমতায় থাকা কালে ঝালকাঠি ও নলছিটির-২ আসনের সাবেক এমপি আমির হোসেন আমুর প্রভাবে ব্যক্তিগত পিএস ফখরুল মজিদ কিরণ ও তার লোকজন ফ্যাসিবাদ দোসররা নাশকতাকারী চাঁদাবাজি অস্ত্রধারী নাশকতায় জড়িত। সাবেক এমপি আমুর একান্ত সহকারি ফখরুল মজিদ কিরণ, মনিরুল ইসলাম তালুকদার,কৃষক লীগ কুলকাঠী ইউনিয়ন সভাপতি স্বপন সমাদ্দার সহ আরো অনেকের বিরুদ্ধে গত ৮/০১/২০২৫ ইং তারিখে একটি মামলা দায়ের করেন মায়েল। যাহা মামলা নাম্বার ১/২৫।
মো. মায়েল আহম্মেদ অভিযোগ যুবলীগ নেতা মনির চৌধুরী পিতা মৃত ছত্তার চৌধুরী ৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা সেমল মন্ডল ০১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা হানিফ সরকারি জমি ৩৫ লক্ষ টাকায় বিক্রি করেছেন। নলছিটি মারচেন্ট মাধ্যমিব বিদ্যালয়ের পূর্ব পাশে ১১৫৩ দাগে জমি। যাহা জেলা প্রশাসক নিকট দরখাস্ত করিছি। দ্রæত ভাবে সহকারী কমিশনার ভ‚মি এর হেফাজতে নেওয়া একন্ত আবশ্যক। উপজেলা নির্বাহি অফিসার এর বরারর দরখস্ত করিলে সার্ভেয়ার তসিলধার পাঠিয়ে ছিলেন। তাদের কাছে স্বীকারোক্তি করেছেন জমি বোচাকিনার কথা। তাহারা জমি থেকে সরে যেতে বল্লেও ক্রেতা ইসমাইল মিয়া পিতা: কদম আলি দোকনের টাইলস ও অন্যান কাজ করিয়াছেন।
ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আমি কথা বলায় ইতিমধ্যে তাহারা আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্তে লিপ্ত হয়েছে। ১০/০১/২০২৫ ইং তারিখে আমার নামে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করেছে। যাহতে তারা আমার মামলা থেকে রক্ষা পায়। মায়েল আহমেদ বলেন, মামলার আসামিরা তাকে এখন প্রাণ নাশের হুমকি দিচ্ছে।
লিখিত বক্তব্যে আরো বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসন আমলে কতিপয় পুলিশ অফিসার ফ্যাসিবাদ দোসর হিসাবে গাইবি বিএনপি নেতাকর্মীদের নামে গায়েবি মামলা বাদি হয়েছেন। রাজপথে বিএনপি রাজনৈতিক নেতাকর্মী দেখা মাত্র গুলি করতো এবং মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করতো। কিছু ফ্যাসিবাদী দোসর পুলিশ সদস্য দের সহযোগিতায় জনগনের ভোট ডাকাতি করে বিনা ভোটে নির্বাচিত করতো। এইে ফ্যাসিবাদী চরিত্রের অধিকারী হলেন নলছিটি থানার সেকেন্ড অফিসার শহিদুল ইসলাম। বিগত ০৫/০৮/২০২৪ ইং তাং এর এগে নলছিটি থানার মানুষ তাহার চরিত্র দেখতে পেরেছে। তাই পুলিশ আইন ২৯ ধারার মোতাবেক ওসি ও সেকেন্ড অফিসারকে দ্রæত প্রত্যাহার না করলে, মিথ্যা মামলা সহ জীবনে বেচে থাকা বড় কষ্টকর হবে।
আমার মামলা নলছিটি থানা ওসি কাছে তদান্তর জন্য আছে।নলছিটি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), যিনি মামলাটির বিষয়ে এখনো কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেননি। তাই নলছিটি থানা ওসি সহ পুলিশ সুপার পুলিশ, উপমাহা পরিদর্শক বরিশাল সহ সকলকে অবহিত দৃষ্টি আকষণ করে সঠিক বিচারের দাবি করেন মায়েল আহম্মেদ বলেন, পুলিশ আইনের ২৯ ধারা অনুযায়ী অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।










