সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার পদ্মপুকুরে জমি নিয়ে বি’রো’ধকে কেন্দ্র করে মসজিদে ঢুকে তিন বৃ’দ্ধকে মা’র’ধরে’র অভি’যো’গ
উঠেছে স্থানীয় এক যুবলীগ নেতার বি”রুদ্ধে। গত ১৬ আগস্ট সোমবার সন্ধ্যায় পদ্মপুকুর ইউনিয়রে পাতাখালী মোল্লাপাড়া জামে মসজিদে মাগরিবের নামাজ চলাকালে এ হা’ম”লার ঘটনা ঘটে।
অভি’যু’ক্ত যুবলীগ নেতার নাম মিজানুর রহমান। তিনি পদ্মপুকুর ইউনিয়ন যুবলীগের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি।আ’হত’রা হলেন- পাতাখালী গ্রামের এসএম আব্দুস সাত্তার (৬৭), মোসলেম মোল্লা (৬০) ও
সাবুদ আলী (৬০)। আ’হ’ত এসএম আব্দুস সাত্তারের ছেলে মাসুম বিল্লাহ জানান, প্রতিবেশী আবুল কাশেমের সঙ্গে তাদের জমি’জমা নিয়ে বি’রো’ধ রয়েছে। এ নিয়ে আসরের নামাজের পর
তার বাবা এসএম আব্দুস সাত্তার ও আবুল কাশেম বা’গবিত’ণ্ডা’য় লিপ্ত’ হন। এর জে’র ধরে মাগরিবের ওয়াক্তে মসজিদে নামাজরত অবস্থায় স্থানীয় যুবলীগ নেতা মিজানুর রহমান, তার বাবা
আবুল কাশেম ও ছোট ভাই জালাল উদ্দিন সংঘ”বদ্ধ হয়ে এসএম আব্দুস সাত্তা’রকে মা’র’ধর করেন। এ সময় বাধা দিতে গেলে তারা প্রতিবেশী মোসলেম মোল্লা ও সাবুদ আলীকেও বে’দ’ম মা’রপি’ট করেন।
এতে তারা র’ক্তা’ক্ত জ’খ’ম হন। তাদের তাৎক্ষণিক উ”দ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে’ পাঠানো হয়েছে। পদ্মপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান বলেন,
মসজিদে মাগরিবের নামাজ পড়ছিলেন আব্দুস সাত্তার। ফরজ শেষে সুন্নাত নামাজ পড়াকালে মিজানুর রহমান মসজিদে গিয়ে তার মাথায় আ’ঘা’ত করে। এতে তার মা’থা ফে’টে যায়। ঠে’কা’তে গেলে মোসলেম মোল্লা ও সাবুদ আলীকেও মা’রপি’ট করে। মিজানুর রহমান ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি।
সে এলাকায় চাঁ’দাবা’জ ও উচ্ছৃ”ঙ্খল যুবক হিসেবে পরিচিত। এ বিষয়ে অ’ভি’যু’ক্ত যুবলীগ নেতা মিজানুর রহমান বলেন, প্রথমে তারা আমার আব্বা আবুল কাশেমের সঙ্গে ঝ”গড়া করে ও তাকে মা’রপি’ট করে রাস্তায় ফে’লে রাখে। ঘটনাটি জানার পর আমি সেখানে গেলে আমার সঙ্গেও ত’র্ক করে।
মসজিদের ভেতরে কোনো মা’রামা’রি হয়নি। মসজিদের সামনে ত’র্ক হয়েছে। শ্যামনগর থা’নার’ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী ওয়াহিদ মোর্শেদ বলেন, ঘটনাটি থা’না’য় কেউ জানায়নি।’ খোঁজখব’র নিচ্ছি। লিখিত অভি’যো’গ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।










