আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ সারা ভারতে একযোগে অনুষ্ঠিত ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষা জয়েন্ট এনট্রেন্স এক্সামিনেশন মেইন (জেইই-মেইন) পরীক্ষার ফলাফলে সম্মিলিত মেধা তালিকার শীর্ষে স্থান করে নিয়েছেন এক মুসলিম কিশোরী। ইফরাহ খান নামের মহারাষ্ট্র রাজ্যের নাগপুরের এই শিক্ষার্থী ৯৯.৯৯৪৬৪২৫ স্কোর নিয়ে মেয়েদের মধ্যে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন।
এর আগে গত ১৬-১৮ মার্চ এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় এবং ২৪ মার্চ পরীক্ষার ফল ঘোষণা করা হয়।নাগপুরের ভেলগাঁওয়ের ইন্ডিয়ান অলিম্পিয়াড স্কুলের এই শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমার ইন্ডিয়ান অলিম্পিয়াড স্কুলেই প্রয়োজনীয় কোচিং করেছি, আমার দুই ভাই আমার কোচিং করিয়েছেন।’
ইফরাহ খানের বাবা সুহাইল খান ও মা নাগমা খান দু’জনেই ইন্ডিয়ান অলিম্পিয়াড স্কুলের ডাইরেক্টর। ভারতে প্রকৌশল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (আইআইটি) সাবেক শিক্ষার্থী তার দুই ভাইও পরিবারের পরিচালিত এই স্কুলের শিক্ষক।
ইফরাহ খান বলেন, ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে তিনি পরীক্ষা জন্য প্রস্তুতি শুরু করেন এবং প্রতিনিয়তই নতুন নতুন বিষয়ে শিক্ষা নিতে থাকেন। তিনি বলেন, ‘দৃঢ় সংকল্প ও চেষ্টা নিয়ে আগে আগেই প্রস্তুতি নেয়া শুরু করুন। বাকিটা খোদার হাতে ছেড়ে দিন।’ সূত্র : মুসলিম মিরর আরো পড়ুন-মায়ের দোয়া আমাকে কাবা শরীফের ইমাম বানিয়েছে মায়ের দু‘আ আমাকে কাবা শরীফের ইমাম
বানিয়েছে লন্ডনের এক কনফারেন্সে পবিত্র কাবা শরীফের এক ইমাম আল কালবানি এই কাহিনী বর্ণনা করেন। এতে তিনি তার জীবনের একটি বাস্তবতা তুলে ধরেন। তিনি জানান, তার উপর কোনো কারণে রেগে গিয়ে তার মা আল্লাহর কাছে যে দু‘আ করেছিলেন তাই তার জীবনে সত্যে পরিণত হয়েছে। ‘
মায়ের দু‘আ আমাকে কাবা শরীফের ইমাম বানিয়েছে ছোটবেলায় ইমাম কালবানি খুব দুষ্ট প্রকৃতির ছিলেন বলে জানালেন। দুষ্টুমি করে প্রায়শই তিনি মাকে রাগাতেন। কিন্তু তার মা ছিলেন খুবই দ্বীনদার একজন মহিলা, তিনি জানতেন আল্লাহর কাছে দু‘আর কী শক্তি। তিনি দু‘আ করাটা তার অভ্যাসে পরিণত করেছিলেন।
ছেলের উপর যখনি রেগে যেতেন তখনি তিনি বলতেন, ‘আল্লাহ যেন তোমাকে পথ দেখান! আর তিনি যেন তোমাকে কাবার ইমাম বানান!’ ইমাম আল কালবানি বললেন, ‘আল্লাহ তার দু‘আ কবুল করেছেন এবং আমি আজ কাবার ইমাম।’ কালো মানুষ শাইখ আদিল আল কালবানি পারস্য উপসাগরীয় এ
ক দরিদ্র পরিবারের সন্তান। নিউইয়র্ক টাইমস-এর সঙ্গে এক সাক্ষাতকারে শাইখ কালবানি বলেছেন, ‘মসজিদুল হারামের নামাজের ইমামতি করা অসাধারণ সম্মানের, আর এই কাজ শুধুমাত্র আরব ভূখণ্ডের আরবদের জন্যই নির্ধারিত।’ ইমাম বলেন, যখন আপনার সন্তান খারাপ আচরণ করবে তখন তাকে গালমন্দ করবেন না।
এতে বিপর্যয় ঘটতে পারে। আমি একজনকে জানি যিনি তার ছেলেকে বলেছিলেন— ‘যাও মর’, অতঃপর তিনি সেটার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন, যখন সেই দিনই তার ছেলে মারা যায়। সুবহানআল্লাহ! প্রিয় সন্তানের পিতা ও মাতাগণ! আপনাদের ভাষা সংবরণ করুন। আপনার ছেলে
-মেয়েদের জন্য ভাল দু‘আ করার অভ্যাস তৈরি করুন, এমনকি যখন আপনি অনেক রেগে যান তখনও তার জন্য দু‘আ করুন। ‘মায়ের দু‘আ আমাকে কাবা শরীফের ইমাম বানিয়েছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
‘তিনটি দু‘আ আল্লাহ কখনও প্রত্যাখ্যান করেন না, ছেলেমেয়েদের জন্য তার পিতামাতার দু‘আ, রোজাদারের দু‘আ এবং মুসাফিরের দু‘আ’।
(বায়হাকী, তিরমিযী, হাদীসটি সহীহ সূত্রে বর্ণিত) বৌদ্ধ ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম গ্রহণ জাপানী তরুণীর একসময় হতাশায় ছিলাম। ভাবতাম জীবন মানে পড়াশুনা,
কাজ, বিয়ে এবং সংসার। কিন্তু মুসলিম হওয়ার পর জীবনের মর্ম বুঝেছি। আল্লাহর এবাদতের জন্য এখন আমার এ জীবন। এই কথা গুলো বলেছেন জাপানি এক তরুণী যিনি বৌদ্ধ ধর্মানুসারী ছিলেন পরে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।
জাপানি ওই তরুণীর নাম নুর আরিসা মরিয়ম। বর্তমানে তিনি যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন। তবে শিশুকাল থেকে বেড়ে উঠেছেন টোকিওতে। ইসলাম গ্রহণের কারণ হিসেবে তিনি বলেন,
টোকিওতে বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার মেজর বিষয় ছিল মালেশিয়ান স্টাডিজ। এবং এতে একটি লেকচারে একজন হিজাবি মুসলিম নারীর বিষয় পড়ানো হয়।
এসময় আমি ইসলাম সম্পর্কে জানতে পারি এরপর অনেক মুসলিমদের সঙ্গে আমি দেখা করি এবং একপর্যায়ে আবিষ্কার করি শান্তির জন্য ধর্ম হল ইসলাম।
আরিসার ইসলাম ধর্ম গ্রহণের বিসয়টি ভালোভাবে মেনে নিতে পারেননি তার মা। তবে একপর্যায়ে তিনি তা মেনে নেন। আরিসা বলেন, আমি জানি আমার জীবনে এখনও অনেক সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ আছে। কিন্তু এসব সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ আল্লাহর দেয়া পরীক্ষা।












