নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল :: বরিশাল জেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬৯৫ হেক্টর বেশি জমিতে রোপা আমনের আবাদ হয়েছে। একইসঙ্গে গত বছর নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩৫ হেক্টর জমিতে বেশি আবাদ হয়েছিল। আর এ বছর গত বছরের তুলনায় ১৬০ হেক্টর জমিতে বেশি আবাদ হয়েছে বলে জানিয়েছে বরিশাল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের শরৎকালীন (২০২১-২২) ফসল উৎপাদনের প্রতিবেদনে জানা গেছে, রোপা আমনের মধ্যে দুটি জাত রয়েছে। এর মধ্যে একটি উফশী, অপরটি স্থানীয় জাতের আমন ধান।
বরিশালের ১০টি উপজেলায় আমন আবাদের মোট লক্ষ্যমাত্র ধরা হয়েছিল ১ লাখ ২৪ হাজার ১৫০ হেক্টর। আবাদ হয়েছে ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৪৫ হেক্টর। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬৯৫ হেক্টর বেশি। এর আগে ২০২০-২১ অর্থ বছরে মোট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ লাখ ২৪ হাজার ৬৫০ হেক্টর। বিপরীতে মোট আবাদ হয় ১ লাখ ২৪ হাজার ৬৮৫ হেক্টর।
বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা শাহ মোঃ আরিফুল ইসলাম বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা মোতাবেক আমরা কৃষকের যেন কোনো সমস্যা না হয় এ জন্য সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করে চলছি। কৃষকদের মাত্রাতিরিক্ত সার, কীটনাশক প্রয়োগে নিষেধ ও সচেতন করছি। বিপরীতে আলোক ফাঁদ পদ্ধতিতে পোকামাকড় দমনে উদ্বুদ্ধ করছি।
বরিশাল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) সাবিনা ইয়াসমিন জানান, এ বছর আবাদ এবং ফলন উভয়ই বেশি। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে কৃষক বেশ লাভবান হবে।
এদিকে অপরিকল্পিতভাবে ফসলি জমিতে ভবন নির্মাণ, কারখানা প্রতিষ্ঠা ও ফসলি জমি কিনে প্লট বানিয়ে বিক্রির ফলে দিনদিন যে হারে কৃষি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সেই সময়ে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি আবাদের বিষয়টি ইতিবাচক বলছে কৃষি অধিদফতর।










