জনতার খবর ডেস্কঃ দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক প্রতিনিধি বা ব্যবস্থাপনা কমিটি নির্বাচনে স্থানীয় সংসদ সদস্যের পরামর্শ নেওয়ার বিধান ‘অকার্যকর’ মর্মে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
১৬ আগস্ট মঙ্গলবার এক আদেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি নীতিমালা জারি করে দেওয়া প্রজ্ঞাপনের ২ এর(২) ধারাটি ‘অবৈধ’ ঘোষণা করে রায় দেন বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ।
এ সংক্রান্ত রুলের ওপর শুনানি নিয়ে উচ্চ আদালত যে রায় দিয়েছেন, তাতে আপাতত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে স্থানীয় এমপির পরামর্শের কোনো প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
রিটকারী সংশ্লিষ্ট আইনজীবী এ তথ্য নিশ্চিত করে জাগো নিউজকে জানান, ২০১৯ সালের ৬ নভেম্বর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব জাহানারা বেগম স্বাক্ষরিত নীতিমালাটি ওই বছরের ১১ নভেম্বর প্রকাশ করা হয়েছিল।
তিনি জানান, পরবর্তীসময়ে মন্ত্রণালয়ের জারি করা বিজ্ঞপ্তি চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করা হয়। ওই রিটের শুনানি নিয়ে ২০১৯ সালের প্রজ্ঞাপনে জারি করা নীতিমালার ২এর(২) ধারাটি কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। ওই রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে আদালত আজ এ রায় দেন।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি নীতিমালায় বলা হয়, মোট ১১ জন সদস্য নিয়ে কমিটি গঠিত হবে। নীতিমালায় ২ এর (২)ধারায় বলা হয়, অভিভাবকদের মধ্যে দুজন বিদ্যোৎসাহী (নারী ও পুরুষ) সদস্য থাকবেন। এ দুজন সদস্যের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা হতে হবে এসএসসি পাস। এ দুজন সদস্য মনোনীত করার ক্ষেত্রে প্রধান শিক্ষককে স্থানীয় সংসদ সদস্যের পরামর্শ নিতে হবে। রিটে নীতিমালার ওই ধারাটি বাতিল চাওয়া হয়েছিল।












