একদিনের ব্যবধানে সাতক্ষীরার খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে প্রায় দ্বিগু। অসাধু ব্যবসায়ীরা বেশি লাভের আশায় পেঁয়াজের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির মাধ্যমে দাম বাড়িয়েছে বলে অভিযোগ খুচরা ব্যবসায়ীদের।
এদিকে, পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধিতে ফরিদপুরে ক্রেতাদের পাশাপাশি উদ্বিগ্ন পেঁয়াজ চাষিরাও। লাভের বদলে নতুন করে লোকসানের শঙ্কায় তারা।
ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের ঘোষণায় অস্বাভাবিকভাবে সাতক্ষীরার বাজারগুলোতে চড়া পেঁয়াজের দাম। অসাধু ব্যবসায়ীরা বেশি লাভের আশায় রাতারাতি পেঁয়াজ সরিয়ে গুদামজাত করেছে অন্যখানে। ফলে বাজারে দেখা দিয়েছে পেঁয়াজের কৃত্রিম সংকট।
সাতক্ষীরার সুলতানপুর বড়বাজার কাঁচা ও পাকামাল ব্যবসায়ী সমিতির মোঃ রজব আলী বলছেন, বেশি দামে কেনা তাই বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রনে প্রশাসনের ভূমিকা চান ব্যবসায়ীরাও।
সাতক্ষীরার ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি কাজী নওশাদ দেলওয়ার রাজু বলেন, পাশাপাশি ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি কার্যক্রম সচল রাখতে সরকারের সহায়তা চান।
এদিকে, পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধিতে হাসি নেই ফরিদপুরের কৃষকদের মুখেও। কারণ, কৃষকের ঘরে এখন পেঁয়াজ নেই, মধ্যস্তত্ত্বভোগি মজুদদাররা হাতিয়ে নিচ্ছে বাড়তি লাভ। মাসদেড়েক পরে বাজারে মুড়িকাটা নতুন পেঁয়াজ উঠবে, তখন পেঁয়াজের অস্বাভাবিক দর পতনের শঙ্কা তাদের।
পেঁয়াজ আবাদের রাজধানী হিসেবে খ্যাত ফরিদপুরের নগরকান্দা ও সালথা ঘুরে দেখা গেছে ভারতের পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ ঘোষণার পর ফরিদপুরে পেঁয়াজের পাইকার বাজারগুলোতে দফায় দফায় বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। যার প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারে। এতে ক্ষুব্ধ ক্রেতারা।
চড়াদামে পেঁয়াজ কিনে বিক্রেতারা দুষছেন আড়তদারদের। কৃষক ও কৃষির স্বার্থেই সিন্ডিকেট ভেঙ্গে কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যদাম নিশ্চিতে সরকারের কঠোর নজরদারি চান সংশ্লিষ্টরা।












