পঞ্চম শ্রেণীতে বৃত্তি পরীক্ষা বাতিল করে ভিন্ন পদ্ধতিতে মূল্যায়ন করে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়ার ব্যবস্থা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক বৈঠকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।
বৈঠকে জানানো হয়, প্রাথমিক শিক্ষার স্তর শেষ করে নিম্ন মাধ্যমিকে ভর্তি হওয়া মেধাবী শিক্ষার্থীরাই বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিত এবং অপেক্ষাকৃত কম মেধাবীরা বার্ষিক পরীক্ষায় অংশ নিত। শিক্ষার্থীদের মাঝের এই বৈষম্য দূর করতে বৃত্তি পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে মূল্যায়ন পদ্ধতি নির্ধারণ করা হবে বলেও জানায় মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টরা।
তথ্য কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন বলেন, “ভিন্ন আঙ্গিকে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করে বৃত্তি দেওয়া হবে।”
বৃত্তি দেওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের মেধা যাচাই করতে পঞ্চম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার বাইরে বাছাই করা শিক্ষার্থীদের আলাদাভাবে পরীক্ষা নেওয়া হয়। সারা দেশে একযোগে হওয়া ওই পরীক্ষা বৃত্তি পরীক্ষা হিসেবে পরিচিত।
২০০৯ সালে জাতীয়ভাবে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা শুরু করে সরকার। এরপর থেকে ওই পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতেই মেধা বৃত্তি দেওয়া শুরু হয়। ফলে আলাদা বৃত্তি পরীক্ষা বন্ধ হয়ে যায়।
দেশে কোভিড মহামারী শুরু হলে ২০২০ ও ২০২১ সালে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা বন্ধ থাকে। ওই সময় বৃত্তিও দেওয়া হয়নি।
পরে জানানো হয়, নতুন শিক্ষাক্রম চালু হচ্ছে যেহেতু, সেহেতু সমাপনী পরীক্ষা আর নেওয়া হবে না।
এ পরিস্থিতিতে প্রাথমিকে মেধা বৃত্তির জন্য যোগ্য শিক্ষার্থী বাছাই করতে এক যুগ পর ২০২২ সালে আবারও আলাদা বৃত্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়।












