ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ
ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকাল সাড়ে ১১টায় আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোঃ আশরাফুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঝালকাঠি সেনা ক্যাম্পের মেজর আশফান। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট তৌহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় ডিডি এনএসআই এবং উপজেলা পর্যায়ের সকল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগণ, মুক্তিযোদ্ধা, সরকারি বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানরা সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
ঝালকাঠি জেলায় পরিবর্তীত পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভাল থাকলেও হঠাৎ করে কয়েকটি খুন ও চুরি, চামারীর ঘটনায় পুলিশ বিভাগও প্রশাসনকে বিব্রত করেছে। তবে সামগ্রীকভাবে অন্যান্য জেলার তুলনায় এখনো আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সন্তোষ রয়েছে বলে দাবী করা হয়েছে। সভায় বিভিন্ন বিষয় আলোচিত হয়েছে বর্তমানে একটা বিষয় সকলকে জেলা প্রশাসক অবহিত করেন সড়ক দূর্ঘটনায় যারা আহত ও নিহত হয় তাদের সহায়তা করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে অর্থ সহায়তা রয়েছে। কোন ব্যক্তি সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত হলে তার পরিবারের জন্য ৫লাখ টাকা এবং সড়ক দুর্ঘটনাকালীন আহত হয়ে অঙ্গহানী হলে তার জন্য ৩লাখ টাকা এবং আহত ঘটনায় চিকিৎসার জন্য ১লাখ টাকা অর্থ সহায়তা প্রদানের বিধান রয়েছে।
কিন্তু আমাদের এই অঞ্চলের মানুষ সরকারের এই সহায়তার কথা জানেনা। জেলা প্রশাসক বিষয়টি আরও বেশি করে প্রচার করার জন্য আহŸান জানান। তথ্য অফিস বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বিষয়ে প্রচার-প্রচারনা চালানোর সময় এই বিষয়গুলি প্রচার করার নির্দেশনা দেন। দুর্ঘটনা যে উপজেলায় ঘটেছে সেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে ঘটনার ১মাসের মধ্যে লিখিত আকারে আবেদন জমা দিতে হবে এবং বিআর ও টিআরের কাছ থেকে আবেদন ফরম সংগ্রহ করতে হবে। সময়সীমা পার হয়ে গেলে আর্থিক সহায়তা পাওয়া যাবে না।
এছাড়াও জেলা প্রশাসক আরও একটি বিষয় উল্লেখ করেন পাসপোর্ট করার জন্য পুলিশের ভেরিফিকেশন তুলে দেওয়ায় কিছু রোহিঙ্গা পাসপোর্ট করে নাগরিকত্ব অর্জনের চেষ্টা শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই কিছু ঘটনা সরকারের দৃষ্টি কটু হয়েছে এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সকল কাগজপত্র যাচাই-বাছাই ও পাসপোর্ট অফিসগুলিতে ভাল করে খোজ খবর নেয়া।
সভায় পুলিশ বিভাগের কার্যক্রম জেলা কারাগার, মাদক, বাল্য বিবাহ, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ বিশেষ করে ইট ভাটা ও সরকারি জায়গা দখলকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়া, মোবাইল কোর্ট পরিচালনা, আনসার ভিডিপি সম্পর্কিত, বাজার নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম, ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা, অবৈধ ক্লিনিক, ফুটপাত দখল মুক্ত করা, ইত্যাদি বিষয়ে আলোচিত হয়েছে।










