ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ
৪দিন ধরে অবিরাম টানা হালকা ও মাঝারি বৃষ্টিপাতে ঝালকাঠি জেলার নিম্নাঞ্চল কৃত্তিম জলাবদ্ধতার কারণে পানিতে তলিয়েছে। এই সকল অঞ্চলের ক্ষেত খামার ও মানুষের বসতবাড়িতে পানি উঠে গেছে। শুধু গ্রামাঞ্চলই নয় খোদ জেলা ও উপজেলা শহরের রাস্তাঘাট ও কিছু কিছু এলাকার বসতবাড়িতেও পানি প্রবেশ করে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যহত করেছে। এই সকল সমস্যা প্রকৃতির সৃষ্টি নয় মানুষের কারণেই সৃষ্ট এই দুর্ভোগ।
গ্রামাঞ্চলের ক্ষেত খামার ও তার চারপাশে ফসলি জমিতে নিষ্কাশনের ছোট ছোট খাল মানুষ ভরাট করেছে এবং কেউ কেউ বাড়িতে যাওয়ার জন্য খাল ভরাট করে বক্স কালবার্ট বা পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না রেখে বাড়ির রাস্তা তৈরি করছে। এ ক্ষেত্রে সরকারিভাবে উন্নয়নের কাজের জন্য সড়ক, এলজিইডি বিভাগ, পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নির্বিচারে পানির উন্নয়ন কাজে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না রাখায় এই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বন্যাজনিত পরিস্থিতি বা অতি বর্ষনের কারণে দ্রæত পানি বড় খাল হয়ে নদীর সংযোগে দ্রæত নামতে পারে না।
গ্রামাঞ্চল ছাড়া জেলা ও উপজেলা এলাকায় মানুষ অবিবেচকের মত চোখ বুঝে নিজের বাড়িঘর নির্মাণকালে নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না রাখায় টানা হালকা বৃষ্টিপাত হলেও শহরের রাস্তাঘাট তলিয়ে যায় এবং জনজীবনে হুমকির সৃষ্টি করে।
কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মাঠে বর্তমানে আউশ আবাদ রয়েছে পানির কারণে এই ফসলের কোন ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে জেলায় সাড়ে ৩০০ হেক্টরে রোপা আমন বীজের বীজতলার কাজ শুরু হয়েছে। বৃষ্টির কারণে সদ্য বীজ ফেলানো ক্ষেতে বীজ ধান ভেসে যেতে পারে এবং কিছু কিছু জায়গায় ক্ষেত পানিতে তলিয়ে থাকতে পারে। জেলায় এবছর ১২ হাজার হেক্টরে শাক-সবজি চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে এবং কিছু কিছু এলাকায় ইতিমধ্যেই লাউ বরবটি, কুমার, শসাসহ বিভিন্ন তরকারির চাষ কিছুটা ব্যহত হতে পারে।










