ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ
ঝালকাঠির নলছিটিতে নিখোঁজের একদিন পর ইমরান সিকদার ( ৩০) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। অপর দিকে ঝালকাঠি সদর উপজেলার শেখের হাটের রানাপাশা গ্রাম থেকে দিন মজুর সিরাজুল ইসলাম (৪২) মরাদেহ বসত ঘর থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।
সোমবার ১৮ আগস্ট সকাল আটটার দিকে স্থানীয়রা উপজেলার কুশংগল ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন পুকুর থেকে তার লাশ ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করে।
নিহত ইমরান সিকদার কুশঙ্গল ইউনিয়নের মানপাশা গ্রামের ইউনুচ সিকদারের পুত্র। পরিবার ও স্থানীয়রা জানিয়েছে, ইমরান সিকদার গত রবিবার সকালে (১৭ আগষ্ট) নিজ বাড়ী থেকে বের হয়ে আর বাড়িতে ফিরেননি। তারা আরও জানান, তিনি বিগত কয়েক বছর ধরে মানুষিক সমস্যায় ভুগছিলেন।
নলছিটি থানার ওসি আব্দুস ছালাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।
অপরদিকে ঝালকাঠি সদর উপজেলার শেখেরহাট ইউনিয়নের রাজপাশা গ্রামে নিজ বসতঘর থেকে মো. সিরাজুল ইসলাম খান (৪২) নামের এক ব্যক্তির অর্ধ-গলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার ১৭ আগস্ট সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় দরজা ভেঙে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে গ্রাম পুলিশ ও সদর থানা পুলিশ। তাদের কাছ থেকে জানা যায়, সিরাজুল ইসলাম খান দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে রাজপাশা গ্রামের নিজ বাড়িতে একা বসবাস করছিলেন। তিনি পেশায় দিনমজুর ছিলেন এবং মাদকাসক্ত হিসেবে এলাকায় পরিচিত ছিলেন। কয়েক মাস আগে এজমালি সম্পত্তির গাছ বিক্রি নিয়ে তার বড় ভাই সোহরাব হোসেনের সঙ্গে বিরোধ হয়। এ নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে অভিযোগ করেন তার বড় ভাই সোহরাব।
রোববার বিকেলে ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ সাহাগির হোসেন অভিযোগের নোটিশ নিয়ে তার ঘরে গেলে ভেতর থেকে দুর্গন্ধ পেয়ে স্থানীয়দের ডাকেন এবং ঝালকাঠি সদর থানা পুলিশকে খবর দেন। পরে দরজা ভেঙে ঘরের মেঝেতে চিত হয়ে থাকা অবস্থায় সিরাজুল ইসলামের গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে ঝালকাঠি সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই এবং মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে অতিরিক্ত মাদক সেবনের কারণে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত বলা যাবে।










