ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ
ঝালকাঠি জেলায় বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রীয়করণ প্রকল্পের আওতায় কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তবে তৃণমূল পর্যায়ের ইউনিয়ন পরিষদের আ’লীগ সরকারের ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্য নির্বাচিত হয় এবং জুলাই বিপ্লবের পরে কথিত সরকারের সমর্থক চেয়ারম্যানরা আত্মগোপন করে থাকায় ইউনিয়ন পরিষদ কার্যক্রম অচল অবস্থা সৃষ্টি হয়।
জেলার ৩২টি ইউনিয়নের মধ্যে ৪ উপজেলায় ৪জন উপজেলা চেয়ারম্যান বর্তমানে নির্দলীয় ব্যক্তি হিসেবে কাজ করছে। এদের মধ্যে ঝালকাঠির কৃত্তিপাশা, রাজাপুর উপজেলার সদর ইউনিয়ন, কাঠালিয়া উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়ন এবং নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কার্যক্রম পরিচালিত করছেন।
সেই কারণেই গ্রাম আদালত সক্রিয় করণ প্রকল্পের কার্যক্রম থমকে দাড়িয়েছে। স্থানীয় সরকারের এই প্রতিষ্ঠানগুলিতে সচল করা না হলে এই কার্যক্রমের সুফল পাওয়া যাবে না এবং বর্তমানেও মানুষ নানা ধরণের সমস্যা নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে ছুটাছুটি করছে।
বিগত ২০২৪ সালের ফেব্রæয়ারী মাস থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারী মাস পর্যন্ত জেলার ৩২টি ইউনিয়ন থেকে গ্রাম আদালতের আওতাধীন দেওয়ানী ক্ষেত্রে ৩৪ লাখ ৭৪ হাজার টাকা এবং ফৌজদারী ক্ষেত্রে ৩ লাখ ৩৪ হাজার ৪৫০ টাকা সহ ৩৭ লাখ ১৭ হাজার ৪৫০ টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করে ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষকে দেয়া হয়েছে।
এই সময়ের মধ্যে জেলায় অপেক্ষমান ১৫৪টি মামলার সাথে ৪৩৯টি মামলা দায়ের হয়েছে এবং এই সময়ের মধ্যে উচ্চ আদালত থেকে ১৩৫টি মামলা গ্রাম আদালতে ন্যাস্তসহ ৭২৮টি মামলার মধ্যে ৩৪৫টি মামলা আপোষ নিষ্পত্তি হয়েছে। এরমধ্যে ২৯৬টি উচ্চ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মোট মামলার নিষ্পত্তির সংখ্যা ৬৪১টি। বর্তমানে ৮৭টি মামলা অপেক্ষমান রয়েছে এবং এই সময়ে আরও ২৪৬টি মামলার রায় বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় রয়েছে।










