শেরপুর প্রতিনিধিঃ বগুড়ার শেরপুরে চিকিৎসক ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাতে লুৎফর রহমান (৭০) নামে মাদ্রাসার অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মারা গেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার সকালে উপজেলার গাড়িদহ ইউনিয়নের রামেশ্বরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত লুৎফর রহমান বগুড়ার শেরপুর উপজেলার রামেশ্বরপুর গ্রামের মৃত হাছেন আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় নগর জেএম সিনিয়র মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ। তার ছেলে ডা. মশিউল আলম কাহালু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, লুৎফর রহমান কিছু দিন আগে এলাকায় বাঁশঝাড়সহ তিন শতক জায়গা কেনেন। সেখানে প্রতিবেশী আবদুল হামিদের ছেলে আবদুল মান্নান ও মামুনরা বাড়ির আবর্জনা ফেলতেন। এ নিয়ে কিছু দিন আগে বিবাদ হলে প্রতিবেশীরা মীমাংসা করে দেন।
বুধবার সকাল ৯টার দিকে তার ছেলে ডা. মশিউল আলম ওই জায়গায় গাছ লাগাতে যান। এ সময় মামুন, মান্নান ও তাদের লোকজন বাঁশ দিয়ে তাকে মারধর করেন। ছেলের চিৎকারে বৃদ্ধ বাবা লুৎফর রহমান ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তিনি এগিয়ে গেলে মামুন তাকে মারধর করে বুকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেন। এতে ঘটনাস্থলেই শিক্ষক লুৎফর রহমান মারা যান।
শেরপুর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম জানান, রাস্তা নিয়ে প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিরোধ চলে আসছে। ছেলেকে মারপিট থেকে বাঁচাতে গিয়ে ধাক্কা খেয়ে মাটিতে পড়ে বৃদ্ধ শিক্ষক লুৎফর রহমান মারা যান। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।










