বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী দলের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম সরকার দলীয় দস্যুদের বার বার বর্বরোচিত হামলার শিকার হন।
কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে বরং এ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি মন্তব্য করেছেন ‘তিনি কি ইন্তেকাল করেছেন’? এমন মন্তব্য করার পর ৫০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালকে উকিল নোটিশ দেন মুফতী সৈয়দ ফয়জুল করীম। এ ঘটনার জন্য সিইসি দুঃখ প্রকাশ করেন সংবাদপত্রের মাধ্যমে।
সিইসি’র দুঃখ প্রকাশ প্রসঙ্গে সোমবার (২৬ জুন) এক বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার দোষ স্বীকার করে কেবল ক্ষমা প্রার্থনা করলেই হবে না।
এধরনের দায়সাড়া গোছের ক্ষমা প্রার্থনা করে তিনি ঘটনাকে শেষ করতে চেয়েছেন। তিনি একজন প্রার্থীর মৃত্যু কামনা কিভাবে করলেন? তিনি শুধু মৃত্যু কামনা নয়, বরং ফয়জুল করীমকে হত্যার চেষ্টা করেছেন, যা তার বক্তব্যে ফুটে উঠেছে।
মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেন, মিথ্যাবাদী সিইসিসহ নির্বাচন কমিশন যতো তাড়াতাড়ি বাতিল হবে, ততই জাতির জন্য মঙ্গল। এতে দেশের মানুষ ভোটাধিকার ফিরে পাবে।
বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, এই মিথ্যাবাদী সিইসিসহ পুরো নির্বাচন কমিশন বাতিল করতে হবে। এ ধরনের দলদাস দেশ ও জাতির জন্য ক্ষতিকর। যে দলদাস ক্ষমতাসীন দস্যুদের পক্ষ নিয়ে বিরোধী দলের মেয়র প্রার্থী বরেণ্য আলেমে দীন ও বুজুর্গের মৃত্যু কামনা করেন, সে আর যাই হোক স্বাধীন সার্বভৌম দেশের সাংবিধানিক গুরুত্বপূর্ণ পদ প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে থাকার কোনো যোগ্যতা রাখেন না।












