জনতার খবর ডেস্ক: ১৯৯৬ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারির প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর খুনী আব্দুর রশীদ ও বজলুল হুদাকে খালেদা জিয়া যথাক্রমে বিরোধী দলীয় নেতা ও সংসদ সদস্য বানিয়েছিলেন বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার বিকেলে একাদশ জাতীয় সংসদের ১৪তম অধিবেশনের প্রথম কার্য দিবসে প্রয়াত সংসদ সদস্য অধ্যাপক মো. আলী আশরাফসহ ৭ জন সাবেক সংসদ সদস্যের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাবের উপর আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৫ আগস্টের খুনীদের জিয়াউর রহমান যেমন ইনডেমনিটি দিয়ে বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরী দিয়ে পুরস্কৃত করেছিল তেমনি খালেদা জিয়া আরো একধাপ উপরে গিয়ে জনগণের সংসদে এনে একজন খুনীকে বসায়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘৯৬ সালের ভোটারবিহীন নির্বাচনে চান্দিনা থেকে রশিদকে সংসদ সদস্য করে পার্লামেন্টে নিয়ে আসে খালেদা জিয়া এবং বিরোধী দলীয় নেতার আসনে বসায়। চুয়াডাঙ্গা থেকে হুদাকেও (বঙ্গবন্ধুর অপর খুনী) সংসদ সদস্য করে নিয়ে আসা হয়।’
উল্লেখ্য জাতীয় সংসদের ২৫৫ কুমিল্লা-৭ আসন, যেটি থেকে প্রয়াত অধ্যাপক মো. আলী আশরাফ একাধিকবার নির্বাচিত হয়েছিলেন, সেটি থেকে বঙ্গবন্ধুর খুনী রশীদকে সংসদ সদস্য বানানো হয়েছিলো।
শোক প্রস্তাবের উপর আলোচনায় প্রধানমন্ত্রীসহ সংসদ সদস্যরা অধ্যাপক আলী আশরাফের জীবন ও কর্মের উপর আলোচনা করেন। পরে সর্বসম্মতিক্রমে শোক প্রস্তাব গৃহীত হয়।
করোনা প্রতিরোধে মাসে এক কোটি ডোজের বেশি টিকা পাওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে বলে সংসদকে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সংসদের প্রশ্নোত্তরে সরকারী দলের সংসদ সদস্য শহীদুজ্জামান সরকারের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
এছাড়া সংসদে সাবেক সংসদ সদস্য আফাজ উদ্দিন আহমেদ, তোফাজ্জল হোসেন সরকার, জামাল উদ্দিন আহম্মদ, খুররম খান চৌধুরী, মো. রেজা খান জাহানারা বেগম, আনোয়ার হোসেন এবং গণসঙ্গীত শিল্পী ফকির আলমগীর, ব্রিটিশ সাংবাদিক সাইমন ড্রিং এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলেইন্সের পাইলট নওশাদ আতাউল কাইউমের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা হয়।
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রীসহ অন্যান্য মন্ত্রীদের প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।












