জনতার খবর ডেস্কঃ দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ যখন প্রথম চাকুরীতে প্রবেশ করে তখন ১৪-১৬ হাজার টাকার কাছাকাছি সর্বসাকুল্যে পান। অথচ আমাদের পাশের দেশের বা ভিনদেশী পাশের রাজ্যের শিক্ষকদের বেতনের কথা জানলে আপনার চোখ চড়কগাছ হতে পারে! আসুন জেনে নেওয়া যাক পাশের দেশের পাশের শিক্ষকদের বেতন সম্পর্কে একটু ধারণা নেওয়া যাক।
পাশের দেশ ভারত; যাদের মূদ্রার মান আমাদের থেকে সামান্য বেশি। সেদেশের পশ্চিমবঙ্গ (কোলকাতা) এর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন বাংলাদেশের ৯ম গ্রেডের সমতুল্য। -সূত্রঃ আনন্দবাজার পত্রিকা। যদিও ভিন্ন দেশের সাথে আমাদের দেশের শিক্ষকদের বেতন সিমুলেট করা অমূলক।
নির্বাচিত পশ্চিমবঙ্গের মমতা ব্যানার্জি সরকার গত বছরের ৬মে, বৃহস্পতিবার প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন বাড়িয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের ‘গ্রেড-পে’ ২৬০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩৬০০ টাকা করা হয়েছিল। যা সর্বভারতীয় হারে অনেক কম। সেকারণে বেতন বাড়ানোর পরেও শিক্ষিকা অনশন চালিয়ে যাচ্ছিলেন এবং তাঁরা এখনো আন্দোলনে অনড় আছেন।
গত বছরের ২৬ জুলাই তারিখে আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া যায়। এবিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি অশোক রুদ্রের বলেছিলেন, রাজ্যের নতুন বেতন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৩৬০০ টাকা ’গ্রেড পে’ হলে শুরুতেই এক জন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বেতন হবে প্রায় ২৯ হাজার টাকা। অর্থাৎ সেই বেতন ব্রদ্ধির সিদ্ধান্তে এক লাফে বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় আট হাজার টাকা।
পশ্চিমবঙ্গের নতুন এই সিদ্ধান্তে ফলে প্রায় ১ লক্ষ ৮৫ হাজার শিক্ষিক উপকৃত হচ্ছেন। যা বাংলাদেশের ৯ম গ্রেডের কর্মকর্তার বেতনের সমতুল্য। bengali.oneindia.com সঞ্জয় ঘোষালের এক প্রতিবেদন, যা ২০১৯ সালের ২৬ জুলাই তারিখে প্রকাশিত। সেই প্রতিবেদনে বলা হয়, ”শুক্রবার রাজ্য স্কুল শিক্ষা দফতরের তরফ থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়ে দেওয়া হল বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত। শিক্ষকদের আন্দোলনে সাড়া দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের ঘোষণা, প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন প্রাথমিক স্তরে ১৯০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫,৫০০ টাকা করা হল। এদিন বিজ্ঞপ্তি জারি করে সরকারে পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হল- প্রাথমিক শিক্ষকদের গ্রেড পে ২৬০০ টাকা থেকে বেড়ে হল ৩৬০০। এই বৃদ্ধি প্রশিক্ষিত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য। আর অপ্রশিক্ষিতদের গ্রেড পে হল ২৯০০। আগে গ্রেড পে ছিল ২৩০০ টাকা।”












