বুধবারের ওই সাক্ষাৎকারে ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী মোল্লা হাসান আখুন্দ জানিয়েছেন, অন্তর্বর্তী সরকার কূটনীতিক, দূতাবাস এবং মানবিক ত্রাণ প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা দেবে। তিনি জানান, তারা এই অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে জোরালো এবং ইতিবাচক সম্পর্ক গড়ে তুলতে চান।
তালেবান প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা ওমরের ঘনিষ্ঠ সহযোগি এবং রাজনৈতিক উপদেষ্টা হাসান আখুন্দ দাবি করেন আফগান জনগণের কঠিন দায়িত্ব এবং পরীক্ষার মুখে পড়েছেন তারা। তিনি বলেন, ‘আফগানিস্তানের ইতিহাসের এই ঐতিহাসিক মুহূর্ত অর্জনে আমাদের বহু জীবন ও সম্পদের ক্ষতি হয়েছে।’
২০০১ সালের পর যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের সমর্থিত প্রশাসনের হয়ে কাজ করা সকলের জন্য সাধারণ ক্ষমার ঘোষণা পুনর্ব্যক্ত করেন হাসান আখুন্দ। তিনি বলেন, ‘কোনও একজনও প্রতিশোধের শিকার হয়েছে প্রমাণ দিতে পারবে না। আর এই উত্তেজিত পরিস্থিতিতে, যা খুশি তাই করে ফেলা সম্ভব। কিন্তু মুভমেন্ট শৃঙ্খলাবদ্ধ এবং অস্ত্রধারীদের নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম। কারোর পূর্বের কর্মকাণ্ডের জন্য আমরা কারোর ক্ষতি করিনি।’
মোল্লা হাসান আখুন্দ বলেন, ‘আমরা ইসলামিক রাষ্ট্রের আশ্বাস দিচ্ছি, বিশেষ করে আফগান জনগণের জন্য আমরা সবাই কল্যাণ, এবং সফলতা চাই। আর আমরা একটি ইসলামিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চাই।’ তিনি বলেন এই পবিত্র প্রজেক্টে সকলের অংশগ্রহণ চায় তালেবান।